বীমার করার জন্য বাংলাদেশি সেরা ৫ টি বীমা কম্পানি।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম! তো আজকের যেই টপিক সেটা আপ্নারা যারা লাইফ ইন্সুরেন্স করে থাকেন তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে অনেক ইন্সুরেন্স কম্পানি রয়েছে। কোন কোন কম্পানি টাকা মেরে দেয় আবার কোন কোন কম্পানি এতো পরিমান হেরেস্মেন্ট করে যে শেষ পর্যন্ত আপনার বীমার টাকা পেতে খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। যেমন: কিছু দিন আগেও একটা কম্পানি গ্রাহকের টাকা মেরে দিয়ে চলে গেছে। কোন কোন ব্রাঞ্চে বা কোন কোন জেলায় তারা শাখা খোলে এবং টাকা মেরে দিয়ে চলে যায়। তো বীমা কম্পানির বিশ্বস্ততা আপনারা অনেকেই জেনে আসছেন। তো তারপরও বীমা কম্পানিতে অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে বেশ কয়েকটি কম্পানি। বাংলাদেশে অনেক গুলো বীমা কম্পানি আছে তার মধ্যে আমি ৫ টা কম্পানি নিয়ে আলোচনা করবো। এই ৫ টা কম্পানির থেকে বেশ কিছু পজিটিভ দিক দেখেছি এবং এই ৫ টা কম্পানিতে যদি আপনারা বীমা করেন আশা করি আপনাদের টাকা মাইর যাওয়া কিংবা টাকা অফেরত যোগ্য বা টাকা দিবে না এই ধরনের কোন সমস্যার সম্মক্ষিন আপনাদের হতে হবে না। তো চলুন এই ৫ টি কম্পানি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

1. MetLife insurance

এটি ১৮৬৮ সালে আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি শুধু আমেরিকা নয় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে অধিক শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে আছে মেটলাইফ ইন্সুরেন্স কম্পনিটিতে আপনি বাংলাদেশের প্রত্যেকটা জেলা তেই পাবেন। এখানে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা আপনাকে দিয়ে থাকবে। এরা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে এবং অন্যান্য কোম্পানি গুলো আছে তাদের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে থাকে। এই কোম্পানিটি রশিদসহ আপনি চাইলে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনি টাকা দিতে পারবেন। এখানে আপনি কোন মাধ্যমে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা করাতে পারবেন খুব সহজেই। এই কোম্পানির বিরুদ্ধে আজও পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। নিঃসন্দেহে আপনি এখানে বীমা করতে পারেন। এবং কোন সন্দেহ নেই যে আপনার টাকা মাইর যাবে।

Read more:  What are the things to keep in mind before insuring?

আরো পড়ুনঃ

2. Sonali Life Insurance Company Limited

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠানটিতে আপনি যদি বীমা করেন তাহলে আপনার টাকা পয়সার কোন ভয় নেই। এটা ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রাহকের মন জয় করে ফেলে। এখানে আপনি যখন টাকা রাখবেন ১০ বছর ১২ বছর পুরনো হবে এবং আপনার যখন মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, তখন খুব শিগ্রই অর্থাৎ এক সপ্তার মধ্যে আপনি আপনার টাকাটা তুলতে পারবেন। আপনি কোন মানুষের মাধ্যমে বা এজেন্ট এর মাধ্যমে টাকা জমা না দিয়ে সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে পারবেন। অথবা আপনি যদি বলেন আমি টাকা অফিসে জমা দেবো সেটা আপনিই পারবেন। এখান থেকে আপনি সরাসরি টাকা জমা দিয়ে একটা অ্যাপ্সের মাধ্যমে আপনার কত টাকা জমা হয়েছে, আপনার কত টাকা আছে, আপনি প্রিমিয়াম কত টাকা জমা দিচ্ছেন, আপনার এক মাসে আপনার কত টাকা জমা হলো এসব কিছু দেখতে পাবেন। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ফেসিলিটি আছে এই লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে। সুতরাং আপনারা নির্ভয় নিঃসন্দেহ সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স কম্পানিতে বীমা করতে পারেন।

3. Popular Life Insurance Company

পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড ২০১৫ সালে খুবই কোরাপসন ছিল। এই কোম্পানি অনেকের টাকা দিতে ৩ মাস ৬ মাস ৮ মাস লেগে যেত এবং কারো ১২ মাস পর্যন্ত লেগে যেত। এর পর ২০২১ সালে এসে কোম্পানির নতুন করে আপডেট নিয়েছে এবং এই কোম্পানিতে আপনি যদি টাকা জমা রাখবেন, এখান থেকে টাকা মার যাওয়ার কোন ভয় নেই। এই কোম্পানিটি খুবই বিশাল বড় একটি কোম্পানি বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় টেস্টিক্যাল এখনে রয়েছে। তাহলে আপনি পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে বীমা করতে পারেন, কোন সন্দেহ নেই নির্ভয় আপনি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার টাকা যখন মেয়াদোত্তীর্ণ হবে তখন খুব সহজেই আপনি এখান থেকে টাকাটা ফেরত পেয়ে যাবেন।

4. Guardian Life Insurance Limited

কোম্পানিতে স্কয়ার এর মালিকানাধীন একটি কোম্পানি। গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স এখানে যদি আপনার টাকা রাখেন, এখান থেকে টাকা যাওয়ার কোন ভয় নেই এবং এদের সিস্টেম টা অনেক সুন্দর। যদি আপনি মনে করেন যে, কোন ব্রাঞ্চ ম্যানেজার বা কোন ব্যক্তির মাধ্যমে আমি টাকা জমা না দিয়ে আমি সরাসরি হেড অফিস কিংবা বিকাশের মাধ্যমে টাকা জমা দেবো সেই সিস্টেমটা কিন্তু এই কোম্পানি আপনার জন্য করে রেখেছে। গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স একটি অ্যাপস আছে। এই অ্যাপস টি ইন্সটল করার পর আপনার একাউন্টে কত টাকা জমা হলো, আপনি কত মাসে কত টাকা জমা দিচ্ছেন, আপনার কত বছর কত টাকা জমা হচ্ছে এবং আপনি কত টাকা পাবেন। সেটি আপনাকে স্মরণ করে দিবে তাদের মেসেজ এর মাধ্যমে। সুতরাং ডিজিটালের দিক থেকে এ কোম্পানির মধ্যে আস্থা অর্জন করেছে। এই কোম্পানি টি ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এক কোটি গ্রাহক ছাড়িয়ে গেছে। গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স কম্পানি লিমিটেড। সুতরাং আপনারা নির্ভয় নিঃসন্দেহে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স বীমা করতে পারেন যদি মনে চায়।

Read more:  What are the things to keep in mind before insuring?

5. Fareast Islami Life Insurance Company Limited

এই ফারিস্ট কম্পানিটি ২০০০ সালে মে মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কম্পান টি খুবই সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে কোন কপ্লেইন বা গ্রাহক রিপোর্ট নেই। ফারিষ্টের নিয়ম হচ্ছে আপনাত বীমার যখন মেয়াদ উত্তির্ন হবে, তার এক মাসের মধ্যে আপনি টাকা টা ফেরত পাবেন, এটা ফারিষ্টের পলিসি। এখান থেকেও আপনার টাকা মার যাবে না।

তো আমি এখানে ৫ টী ট্রাস্টেড কম্পানির নাম বললাম। আপনি যদিও এছাড়া অন্য কোন কম্পানীতে বীমা করেন তাহলে অব্যশই যাচাই করে নিবেন। আপনার কষ্টের টাকা অন্যেরা হাতিয়ে নিবে সেটা আপনি জেনে শুনে হতে দিবেন না। তো আজ এই পর্যন্তই।
ধন্যবাদ!

আমাদের আরো একটি ওয়েবসাইটঃ-

About shakib

Hello! I’m Shakib. Known as Mainul Hasen Shakib on social media. I always try to do something new using my acquired experience.

View all posts by shakib →

3 Comments on “বীমার করার জন্য বাংলাদেশি সেরা ৫ টি বীমা কম্পানি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *